বাল্যরচনা
পরিণামে নিত্য নামে, পাবে সেই নিত্য ধামে,
নিত্যই বসন্ত বিকশিত।
যাই তথা যাই তূর্ণ, পরম প্রণয় পূর্ণ,
পরমেশে প্রেমে করি প্রীত ||
কি ছার মিছার আর, মুখাম্বুজ মহিলার,
মোহ ভরে করি নিরীক্ষণ।
তেমতি মোহিত মতি, সে প্রীতি প্রকৃতি প্রতি,
রাখিবেক করিয়া যতন ||
হা মলয় কেন তুমি, উন্মাদের প্রায়।
বেগ ভরে যাও দ্রুত, যথায় তথায় ||
প্রাণের প্রণয়েশ্বরী, কুসুমের কুলে।
নাহিক নিরখি নেত্রে, জ্ঞান গেছ ভুলে ||
না রে চল ধীরে ধীরে, আসিবে বসন্ত ফিরে,
ফিরে আসি ফুটাইবে ফুল।
ফিরে ফুটাইলে ফুলে, লইও সৌরভ তুলে,
চুম্বিয়া সে কুসুমের কুল ||
কিন্তু রে কভু কি আর, আছে আশা ফিরিবার,
মানবের যৌবন বসন্ত।
ফুটায়ে প্রণয় ফুলে, মানবেরে দিবে তুলে,
সুখ রূপী সৌরভ অনন্ত ||
নারে সে কখনো আর, নহেকো রে ফিরিবার,
গেলে কাল আর নাহি ফেরে।
কেবলি চলিবে কাল, যদিন না ধরে কাল,
ছাড়ায়ে মায়ার যত ফেরে ||
আসিবে সে দিন রবে, কি সুখ দিবারে রবে,
যৌবন যুবতী প্রেম সুখ।
শুধু তারা দেবে জ্বালা, মনে হবে ঝালাপালা,
ভাবিয়া পাপের যত দুখ ||
তাই বলি পরিণামে, অধরেতে ধরি নামে,
ঈশ্বরে অন্তরে ভাবে যেই।
পরমেশ প্রেমাস্পদ, লাভ করি মোক্ষপদ,
নিত্যই বসন্ত পাবে সেই ||
-‘সংবাদ প্রভাকর’, ২৮ এপ্রিল, ১৮৫৩
নিত্যই বসন্ত বিকশিত।
যাই তথা যাই তূর্ণ, পরম প্রণয় পূর্ণ,
পরমেশে প্রেমে করি প্রীত ||
কি ছার মিছার আর, মুখাম্বুজ মহিলার,
মোহ ভরে করি নিরীক্ষণ।
তেমতি মোহিত মতি, সে প্রীতি প্রকৃতি প্রতি,
রাখিবেক করিয়া যতন ||
হা মলয় কেন তুমি, উন্মাদের প্রায়।
বেগ ভরে যাও দ্রুত, যথায় তথায় ||
প্রাণের প্রণয়েশ্বরী, কুসুমের কুলে।
নাহিক নিরখি নেত্রে, জ্ঞান গেছ ভুলে ||
না রে চল ধীরে ধীরে, আসিবে বসন্ত ফিরে,
ফিরে আসি ফুটাইবে ফুল।
ফিরে ফুটাইলে ফুলে, লইও সৌরভ তুলে,
চুম্বিয়া সে কুসুমের কুল ||
কিন্তু রে কভু কি আর, আছে আশা ফিরিবার,
মানবের যৌবন বসন্ত।
ফুটায়ে প্রণয় ফুলে, মানবেরে দিবে তুলে,
সুখ রূপী সৌরভ অনন্ত ||
নারে সে কখনো আর, নহেকো রে ফিরিবার,
গেলে কাল আর নাহি ফেরে।
কেবলি চলিবে কাল, যদিন না ধরে কাল,
ছাড়ায়ে মায়ার যত ফেরে ||
আসিবে সে দিন রবে, কি সুখ দিবারে রবে,
যৌবন যুবতী প্রেম সুখ।
শুধু তারা দেবে জ্বালা, মনে হবে ঝালাপালা,
ভাবিয়া পাপের যত দুখ ||
তাই বলি পরিণামে, অধরেতে ধরি নামে,
ঈশ্বরে অন্তরে ভাবে যেই।
পরমেশ প্রেমাস্পদ, লাভ করি মোক্ষপদ,
নিত্যই বসন্ত পাবে সেই ||
-‘সংবাদ প্রভাকর’, ২৮ এপ্রিল, ১৮৫৩