গদ্য পদ্য বা কবিতাপুস্তক
৭
এনেছ মা বিঘ্ন-হরে কিসের কারণে?
বিঘ্নময় এ বাঙ্গালা, তা কি আছে মনে?
এনেছ মা শক্তিধরে, দেখি কত শক্তি ধরে?
মেরেছ মা বারে বারে দুষ্টাসুরগণে,
মেরেছ তারকাসুর, আজি বঙ্গ ক্ষুধাতুর,
মার দেখি ক্ষুধাসুর, সমাজের রণে?
অসুরে করিয়া ফের, মায়ে পোয়ে মারলে ঢের,
মার দেখি এ অসুরে, ধরি ও চরণে ||
তখন-“কত নাচ গো রণে!” বাজাব
প্রফুল্ল মনে।
বিঘ্নময় এ বাঙ্গালা, তা কি আছে মনে?
এনেছ মা শক্তিধরে, দেখি কত শক্তি ধরে?
মেরেছ মা বারে বারে দুষ্টাসুরগণে,
মেরেছ তারকাসুর, আজি বঙ্গ ক্ষুধাতুর,
মার দেখি ক্ষুধাসুর, সমাজের রণে?
অসুরে করিয়া ফের, মায়ে পোয়ে মারলে ঢের,
মার দেখি এ অসুরে, ধরি ও চরণে ||
তখন-“কত নাচ গো রণে!” বাজাব
প্রফুল্ল মনে।
8
তোমার মহিমা মাতা বুঝিতে নারিনু,
কিসে লাগিয়া আন কাল বিষধরে?
ঘরে পরে বিষধর, বিষে রঙ্গ জ্বর জ্বর,
আবার এ অজগর দেখাও কিঙ্করে?
হই মা পরের দাস, বাঁধি আঁটি কেটে ঘাস,
নাহিক ছাড়ি নিশ্বাস কালসাপ ডরে।
নিতি নিতি অপমান, বিষে জ্বর জ্বর প্রাণ,
কত বিষ কণ্ঠ মাঝে, নীলকণ্ঠ ধরে;
বিষের জ্বালায় সদা প্রাণ ছটফট করে!
কিসে লাগিয়া আন কাল বিষধরে?
ঘরে পরে বিষধর, বিষে রঙ্গ জ্বর জ্বর,
আবার এ অজগর দেখাও কিঙ্করে?
হই মা পরের দাস, বাঁধি আঁটি কেটে ঘাস,
নাহিক ছাড়ি নিশ্বাস কালসাপ ডরে।
নিতি নিতি অপমান, বিষে জ্বর জ্বর প্রাণ,
কত বিষ কণ্ঠ মাঝে, নীলকণ্ঠ ধরে;
বিষের জ্বালায় সদা প্রাণ ছটফট করে!
9
দুর্গা দুর্গা বল ভাই দুর্গাপূজা এলো,
পুঁতিয়া কলার তেড় সাজাও তোরণ।
বেছে বেছে তোল ফুল সাজাব ও পদমূল,
এবার হৃদয় খুলে পূজিব চরণ ||
সাজা ভাই ঢাক ঢোল, কাড়া নাগড়া গণ্ডগোল,
দেব ভাই পাঁটার ঝোল, সোনার বরণ ||
ন্যায়রত্ন এসো সাজি, প্রতিপদ হল আজি,
জাগাও দেখি চণ্ডীরে বসায়ে বোধন?
পুঁতিয়া কলার তেড় সাজাও তোরণ।
বেছে বেছে তোল ফুল সাজাব ও পদমূল,
এবার হৃদয় খুলে পূজিব চরণ ||
সাজা ভাই ঢাক ঢোল, কাড়া নাগড়া গণ্ডগোল,
দেব ভাই পাঁটার ঝোল, সোনার বরণ ||
ন্যায়রত্ন এসো সাজি, প্রতিপদ হল আজি,
জাগাও দেখি চণ্ডীরে বসায়ে বোধন?